এশিয়ার সবচেয়ে পুরনো ফুটবল শহরের সবচেয়ে বড় ম্যাচ — কলকাতা ডার্বি। মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গল যেদিন মুখোমুখি হয়, সেদিন শুধু মাঠ নয়, গোটা শহরটাই সবুজ-মেরুন আর লাল-সোনালিতে ভাগ হয়ে যায়। এবারও ইডেন গার্ডেন্সে (মাঠ যেখানেই হোক) ডার্বি সামনে রেখে দুই ক্লাবের সমর্থক মহলে চলছে গান-স্লোগানের জলোৎসার।
দুই ক্লাবের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। কোচ শিবিরে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে সামনের প্রতিপক্ষের খেলার ছক, আর কর্তৃপক্ষের নজরে ফিটনেস রিপোর্ট। দুই পক্ষেই কিছু নতুন মুখ যোগ হয়েছে মরসুমের শুরুতে, তারা এবার ডার্বির আগুনে নিজের পরীক্ষা দেবেন প্রথমবারের মতো। নতুন খেলোয়াড়রা এবার ডার্বির আগুনে নিজেদের প্রথম বড় পরীক্ষা দেবেন — সেটাই আলোচনার মুখ্য বিষয়।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দেখানো হবে
টিকিটের চাহিদা অনেকটাই ছাড়িয়ে গিয়েছে প্রত্যাশা। ক্লাব কর্তৃপক্ষের খাতায়, সদস্যদের সুবিধার পর যে সংখ্যক টিকিট জনসাধারণের জন্য খোলা, সেটি প্রায় দিন গোনার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ভার্চুয়াল সারিতে বসে আছেন লক্ষাধিক ভক্ত, আর কালোবাজারি আটকাতে বলিয়াডি সংস্থা বসিয়েছে নিজস্ব নজরদারি।
পরিসংখ্যান বলছে, ডার্বির দিন টেলিভিশন ও ওটিটি প্রতিযোগিতায় দর্শকসংখ্যার হিসাব যায় সর্বোচ্চ ছুঁয়ে। ফুটবল-বিশ্লেষকদের কথায়, কলকাতা ডার্বি কেবল ক্লাব ফুটবলের ম্যাচ নয় — এটি এক গোটা সংস্কৃতির প্রতীক, যার জয়-পরাজয় মাঠের বাইরেও দাগ কাটে পুরনো কলকাতার পরিচয়ে।