শহুরে জীবনের প্রধান প্রাণধমনী এখন কলকাতা মেট্রো। কর্তৃপক্ষের হিসাব বলছে, গত রবিবার দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত বিস্তৃত ব্লু লাইনে চড়েছেন প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ যাত্রী — যা এই লাইনের ইতিহাসে একদিনের সর্বোচ্চ। দুপুরের শিথিল সময়েও স্টেশনগুলিতে যাত্রীর ঢল দেখা গিয়েছে।
সকাল অফিসগামী সময়ে দমদম, শ্যামবাজার, মহাত্মা গান্ধী রোড কিংবা চন্দ্রনী স্টেশনে ভিড় সামলাতে ব্যস্ত থাকেন কর্তৃপক্ষের কর্মীরা। নিয়মিত যাত্রীদের ভাষায়, বাসে দুই ঘণ্টার পথ মেট্রোয় অর্ধেক সময়ে পার হয়ে যায় — আর সময়ের নির্ভরযোগ্যতাই মূল আকর্ষণ। পিক আওয়ারে ট্রেন ছাড়ার ব্যবধান কমিয়ে আনার প্রক্রিয়াও চলছে।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দেখানো হবে
এদিকে সবুজ লাইনের হাওড়া ময়দান অংশে যাত্রী সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সঙ্গে রুবি মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত অরেঞ্জ লাইনেও ভিড় বাড়ার খবর মিলছে। কর্তৃপক্ষের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে লাইনগুলির সংযোগ বাড়িয়ে শহরের মেট্রো নেটওয়ার্ক আরও জালের মতো বোনা।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, মেট্রোর এই গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করে কলকাতাবাসী মানসম্মত গণপরিবহনের জন্য কতটা অপেক্ষায় ছিল। পরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, লাইন সম্প্রসারণ ও শেষ-মাইল যোগাযোগ ঠিক থাকলে আগামী দশকে শহরের যানজটের চিত্র মূলত বদলে যেতে পারে।